বুধবার, ২৮ নভেম্বর, ২০১২

গুগল ম্যাপ মেকারের যাত্রা শুরু রংপুর থেকে



টেক জায়ান্ট গুগল তাদের ম্যাপ বা মানচিত্র সেবাটির মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আনাচে-কানাচে তুলে ধরেছে ইন্টারনেটের বিশ্বে। এবার আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশও যুক্ত হলো গুগলর এই মানচিত্র সেবায়। সম্প্রতি রংপুরে একটি আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল গুগল ম্যাপ মেকারের প্রথম আনুষ্ঠানিক ম্যাপআপ। উন্নত বিশ্বের দেশগুলোতে গুগল ম্যাপের মাধ্যমেই ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণসহ অনেক ধরনের কাজই করা হয়ে থাকে। স্মার্টফোনের মাধ্যমে গুগল ম্যাপস যেকোনো ব্যক্তিকেই যেকোনো স্থান খুঁজে পেতে সহায়তা করে থাকে। তবে বাংলাদেশ এই সেবা থেকে এতদিন বঞ্চিত ছিল।

তবে সব ধরনের প্রতিকূলতা কাটিয়ে এখন বাংলাদেশও যুক্ত হচ্ছে গুগল ম্যাপে। শুধু তাই নয়, কিছুদিন আগে গুগল বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরুর পর গুগল স্ট্রিট ভিউ, নেভিগেশনসহ অন্যন্য সেবাও খুব শীঘ্রই চালু হবে আমাদের দেশের জন্যও। এমনটিই জানিয়েছেন গুগল ম্যাপ মেকার বাংলাদেশের রিজিওনাল এক্সপার্ট রিভিউয়ার মো. তানজিমুল ইসলাম তানজিল। তিনি জানান, গুগল স্ট্রিট ভিউ এমন একটি সেবা, যা বিভিন্ন রাস্তার উচ্চ রেজুলেশনের ছবি প্রদর্শন করতে সক্ষম এবং এর মাধ্যমে পথ নির্দেশনা পাওয়া সম্ভব। 

গুগল ম্যাপ মেকারের আরইআর হাসান শাহেদ জানান, পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে গুগলের উচ্চ প্রযুক্তির নানা সেবা থাকলেও বাংলাদেশ তা থেকে বঞ্চিত। ম্যাপিং বাংলাদেশ টিম বাংলাদেশের ডিজিটাল মানচিত্র উন্নয়নের পাশাপাশি গুগলের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে যাচ্ছে এসব উচ্চ প্রযুক্তির সেবা বাংলাদেশে চালুর জন্য। রংপুরে অনুষ্ঠিত ম্যাপআপ অনুষ্ঠানে যোগ দেন গুগল ম্যাপ মেকার বাংলাদেশের কান্ট্রি অ্যাডভোকেট আলতাফ-উজ-জামান, আরইআর হাসান শাহেদ, আরমান হোসেন, তাফসিরুল আলম ও অভিজিত রায় কাব্য। অনুষ্ঠানে গুগলের প্রতিনিধিত্ব করেন মো. তানজিমুল ইসলাম তানজিল। সারা দেশে থেকে ৬০ জন ম্যাপার অনুষ্ঠানে যোগ দিতে রংপুরে আসেন। এ ছাড়া বেগম রোকেয়া ও হাজী দানেশ বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও যোগ দেন এই অনুষ্ঠানে। সেই সাথে যোগ দেন বেগম রোকেয়ার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন ড. একেএম ফরিদুল ইসলাম, সহকারি রেজিস্ট্রার মো. আমিনুল ইসলাম, কুড়িগ্রামের অতিরিক্তি জেলা মেজিস্ট্রেট এসএম আবু হেরাইরা, উত্তরের কণ্ঠের সম্পাদক মাজেদুল ইসলাম, আরিফুল ইসলাম শাওন ও হেদায়েতুর রহমান।

অনুষ্ঠানে গুগল ম্যাপ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করা হয়। পাশাপাশি আগ্রহীরা কী করে গুগল ম্যাপে বাংলাদেশকে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতে পারবে, তাও জানানো হয়। উল্লেখ্য, https://sites.google.com/site/mappingbangladesh সাইট থেকে নিয়ম-কানুন জেনে http://www.google.com/mapmaker ঠিকানা থেকে গুগল ম্যাপ টুল ব্যবহার করা যাবে।


তরিকুর রহমান সজীব                                 ইত্তেফাক থেকে সংগৃহীত

বৃহস্পতিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০১২

Unlimited, nonstop solar energy - transmiting solar power from satellite to earth

Energy is the most problem for us. I'm not telling about energy drink. This is the age of electricity. But, we are losing our fuel stoke. Now, only solar power is the expected future. But, that also has some limitation. At night! and in cloudy day!

Good. I don't know, where and who found some thing about it. But I have a news about it. Scientist find a formula and device to get nonstop and unlimited solar power as electricity.

 We know, in space ( no need to go far) there has no clouds and even no night also. Sunlight and sunlight. So, in satellite, uninterrupted solar power is available for always. We can use that power. But how? By cable! No, without any wire.

I have posted an article by name - Waste Power Recycling (Convert Microwave to Electricity) Scientist use this technology to transmit solar power from satellite to earth. How? Yes, the way...

At first, in satellite, collected electricity (by solar panel), need to convert in high frequency electromagnetic wave, also called microwave. Then, send to earth power station. Here, receive and convert microwave to electricity.

Figure

Here, in the figure, we can see a satellite, that will transmitted energy as microwave. But, we need transmit power focusing on the receiver antennas, to prevent power loss.

This project had been granted in Bangladesh national science and technology fair, at 2001, by scientists of Naba Kishore Science Club, Magura.

শুক্রবার, ৯ নভেম্বর, ২০১২

Waste Power Recycling (Convert Microwave to Electricity)

The world is running for energy. Fuel is the most wanted. In our planet, it has stocked a little amount of fuel. It will be finished in early time of future. But, how can live human being! So, find new stock.

Big heads are thinking about recycling from many days ago. I want to give you news from the grass root about technology.

Scientist, but world don't know them. Some body want to give us some thing. In this way, somebody had taken a project. It is very simple. They convert microwave power to electric power and use.

There are huge microwave around us, that come from the transmitter antenna of Radio, TV and Mobile etc. A very little amount of microwave radiation power can be used by us. Huge of that power lost, I mean unused by us. If we can convert this power to electricity, we can use this.

Scientist of Naba Kishore Science Club, Magura, convert it successfully, no more, but they have operated a wall clock. They have submitted the project "West Power Recycling (Convert Microwave to Electricity)" in district science fair at 1999, and passed. They have got a national prize also, from the national Science and Technology fair, 1999.

Here is the details about researchers...

Working ground,         Naba Kishore Science Club, Magura, Bangladesh.
                                   Mr. Ruhul Amin, Scientist, honorable president of the club.
                                   Ayub Hossain, Research secretery.
                                   Rakibul Islam Riaz, Researcher.


বৃহস্পতিবার, ৮ নভেম্বর, ২০১২

Light Talkie (লাইট টকি)


লাইট টকিঃ 

               লাইটের মাধ্যমে কথা বলা। হ্যাঁ। ২০০০ সালের কথা। আমি নবকিশোর বিজ্ঞান ক্লাবের রিসার্চ সেক্রেটারি। কত কিছু নিয়ে ভাবি, কি করা যায়। আমাদের ক্লাবের রিসার্চ ইলেক্ট্রনিক্স ভিত্তিক। মাইক্রোওয়েভের উপর কাজ করছিলাম তখন। ভাবলাম, ইলেক্ট্রম্যাগনেটিক ওয়েভের উপর যদি শব্দ তরঙ্গ সওয়ার করিয়ে দূরে পাঠানো যায়, তাহলে আলোর উপর সওয়ার করানো যাবেনা কেন? 

              যেই ভাবা সেই কাজ। যোগাযোগ করলাম, আমার খুবই শ্রদ্ধেয় এবং প্রিয় শিক্ষক, নবকিশোর বিজ্ঞান ক্লাবের সম্মানিত সভাপতি, মাগুরা সরকারী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দি কলেজের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক, জনাব রুহুল আমীন স্যারের কাছে। তিনি আমাদেরকে ব্যাপক ধারণা দিলেন মড্যুলেশনের ব্যাপারে। এবং আমরা (আমাদের ক্লাবের আরেক গবেষক, রাকিবুল ইসলাম রিয়াজ) সফল হলাম।



ডায়াগ্রাম


                 আমাদের মূল ট্রান্সমিটার ছিল লাল লেজার পয়েন্টার। অডিও সিগন্যাল কে লাইটের সাথে মড্যুলেশনের মাধ্যমে দূরে নিক্ষেপ করা হয়। রিসিভার অংশে লাইট থেকে অডিও সিগন্যালকে আলাদা করে এমপ্লিফাই করে আবার অডিও সিগন্যাল উদ্ধার করা হয়। আর, আমরা খুবই কম খরচে এটা করেছিলাম। আর মান সাউন্ড মান এফ এম থেকেও ক্লিয়ার।

সুবিধাঃ 
         কম খরচে তৈরি করা যায়, পরিবেশ বান্ধব, তাপ বা অতিরিক্ত সিগন্যাল হিসাবে শক্তির কোন অপচয় নেই। পানির মধ্যেও যোগাযোগ করা সম্ভব।

অসুবিধাঃ 
          ধূলা বা কুয়াশায় সিগন্যাল বাধাঁগ্রস্থ হয়, মোবাইল যন্ত্র হিসাবে ব্যবহার করা কষ্টসাধ্য।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাঃ 
           আমরা লাইটের মাধ্যমে ইন্টারনেট এক্সেস এবং ফাইল আদান প্রদানের বিষয় নিয়ে কাজ করছি, এবং সফলতার মুখ দেখতে পাচ্ছি, শীঘ্রই। আলোর মাধ্যমে তথ্য আদান প্রদান করলে একই আলো দিয়ে দুইটি কাজ পাওয়া যাবে, যা মাইক্রোওয়েভ রেডিয়েশন থেকে পরিবেশকে রক্ষা করবে।

শুক্রবার, ৭ মে, ২০১০

সবার জন্য অ্যামেচার রেডিও

লিখেছেন নাজিরুল ইসলাম খাঁন (জিকো)
Thursday, 06 November 2008


S21 Romeo Victor কলিং S21 Romeo Bravo ওভার
S21 Romeo Victor দিস ইজ S21 Romeo Bravo গো অ্যাহেড
S21RV: Romeo Bravo-র লোকেশন কি? QSL ?
S21RB: QSL. আমি এখন Morning QTH-এ আছি, খবর কি তোমার?ওভার টু রোমিও ভিক্টর
S21RV: খবর ভালো, রোমিও ব্রাভো, আমি এখন বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এলাম সফ্টওয়্যার মেলা দেখতে। QSL ?
S21RB: QSL. হ্যাঁ, আমিও আসব বিকালে সময় পেলে। ঠিক আছে রোমিও ভিক্টর, এখন একটু ব্যাস্ত আছি, পরে কথা হবে।
S21RV: ঠিক আছে, রোমিও ব্রাভো, ফর দা টাইম বিয়িং, স্ট্যান্ডিং বাই এন্ড 73.
S21RB: ওকে, 73 এন্ড বাই বাই।

এটা কোন পুলিশ বা কোন বাসের সুপারভাইজারদের কথোপকথন নয়। আমার মনেও এই দুইটি অপশন এসেছিল যখন আমি বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে মেলা দেখতে গিয়ে কাঁধে ব্যাগ নিয়ে সাদাসিধে একটা ছেলেকে ওয়াকিটকি (ওয়্যারলেস)দিয়ে কথা বলতে দেখলাম। তখন পাশে দাড়িয়ে কান পেতে ওপরের কথোপকথন শুনতে পেলাম, সেই ছেলেটি অপর প্রান্তের রোমিও ব্রাভো নামে কারও সাথে কথা বলছে। তাদের এসব সাদাসিধে কথা শুনে আমার আগ্রহ আরও বেড়ে গেল। তাদের নিজেদের কথা শেষ করে আমার সামনের ছেলেটি যখন হাঁটা শুরু করলো, তখন আমি যেঁচে পড়ে তাঁর সাথে কথা বললাম। কথা প্রসঙ্গে ছেলেটির কাছে জানতে পারলাম, তাঁর নাম (রোমিও ভিক্টর) ইভান এবং ইভান AIUB তে BSc পড়ছেন দ্বিতীয় বর্ষে, আমার বয়সী। তখন তাঁর কাছে জানতে চাইলে তিনি আমাকে হাসি মুখে খুলে বললেন সবকথা। তাদের বলা হয় “রেডিও হ্যাম (Radio HAM)”, অ্যামেচার, যারা নিজেরা তাদের সময় এবং অর্থ ব্যয় করে চেষ্টা করেন প্রয়োজনের সময় দেশ এবং দেশের মানুষকে সেবা করতে। অ্যামেচার রেডিও ব্যবহারকারীরা তারা তাদের এই অ্যামেচার রেডিও ব্যবহার করে কথা বলতে পারেন আর্ন্তজাতিক মহাকাশ কেন্দ্রের নভোচারীদের সাথে, তাদের অ্যামেচার স্যাটালাইট ব্যবহার করে গবেষণা ও পরীক্ষামূলক কাজ করেন, নানা ধরণের রেডিও যোগাযোগ ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করেন। কথা বলতে বলতে রোমিও ভিক্টরের (ইভান) হাতের রেডিওতে শুনতে পেলাম, কে যেন ইংরেজি ভাষায় কি বলছে। ইভান তক্ষুণি রেডিওতে ঐ লোকের সাথে কথা বলতে শুরু করলো ইংরেজীতে। তাদের কথাবার্তাও ছিলো একদম সাধারণ। কথা শেষে ইভান আমাকে বললো, সে তখন কথা বলছিলো লন্ডনের আরেকজন অ্যামেচারের সাথে। আমি যতোই শুনছিলাম, ততোই যেন বিস্মিত হচ্ছিলাম। আমি টেলিকমিউনিকেশন ইন্জিনিয়ারিং-এর ছাত্র হওয়ায় আমার আগ্রহ বেড়েই চলছিল। তখন ইভানকে “কিভাবে অ্যামেচার রেডিও ব্যবহারকারী হওয়া যায়” জিজ্ঞাসা করতেই সে আমাকে বললো, ঘটনা খুব সহজ। শুধু বিটিআরসি (Bangladesh Telecommunication Regulatory Communication) থেকে একটা ছোট্ট পরীক্ষা দিয়ে আমি “অ্যামেচার রেডিও ব্যবহারকারী লাইসেন্স” পেতে পারি। যখন আমি ইভানকে জিজ্ঞাসা করলাম, সারা মাসে আপনারা যে কথা বলেন, কোনো বিল দিতে হয়না ??? তখন ইভান আমাকে হাসতে হাসতে বললেন, সারা বছর যতক্ষণ ইচ্ছা কথা বলা সম্ভব, শুধু প্রতি বছর লাইসেন্স রিনিউ করতে হবে নামমাত্র মূল্যে, এছাড়া আর কোন টাকা লাগবেনা। আমি যেন নিজের কানকে বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। এই ছেলেটা বলে কি !!! এতো সহজ !!! তখন ইভান আমাকে একটা কথা বলে দিলো যে, অ্যামেচার রেডিওকে কোন প্রকার ব্যবসায়িক এবং রাজনৈতিক উদ্দ্যেশে বা কাজে ব্যবহার করা যাবেনা। এসম্পর্কে জানতে পারবো কোথায় জানতে চাইলে ইভান “বাংলাদেশ অ্যামেচার রেডিও লীগ (বার্ল)”-এর ওয়েবসাইট www.barl.org এ বিস্তারিত লেখা আছে বলে জানাল এবং Radio HAM সর্ম্পকে নিজেকে ইন্টারনেটে খোঁজ নিতে বললো।

আমি সেই দিনই বাসায় এসে ইন্টারনেটে খোঁজ নিয়ে দেখলাম, ইভানের প্রত্যেকটি কথা অক্ষরে অক্ষরে সত্যি। এটা ২০০৭ সালের প্রথম দিকের কথা। সেই থেকে আজ পর্যন্ত আমি ব্যক্তিগতভাবে বাংলাদেশের বিভিন্ন অ্যামেচার রেডিও ব্যবহারকারীদের সাথে কথা বলে দেখতে পেলাম, তারা সবাই যে সাইন্স ব্যাকগ্রাউন্ড, তা নয়, কেউ ব্যবসায়ী, কেউ ব্যাংকার, কেউ বিবিএর ছাত্র, আবার কেউবা সাধারণ পেষাজীবী। তাদের প্রত্যেকে এতো ভালো এবং সহযোগীতা মনোভাবাপন্ন, যে বলার মতো না। তাদের কাছ থেকে জানতে পারলাম যে আমাদের দেশে প্রায় ২০০ অ্যামেচার রেডিও ব্যবহারকারী রয়েছে অথচ আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে রয়েছে প্রায় ১৬০০০ হ্যাম বা অ্যামেচার রেডিও ব্যবহারকারী। বিশ্বের প্রতিটি দেশেই অসংখ্য হ্যাম বা অ্যামেচার রেডিও ব্যবহারকারী রয়েছে এবং তাদের সবাই নানান পেশার মানুষ। তাদের সবারই একটি করে “কলসাইন(Call Sign)” আছে।
বাংলাদেশে অ্যামেচার রেডিও-এর কার্যক্রম সর্ম্পকে জানা যাবে www.barl.org থেকে। এছাড়াও অ্যামেচার রেডিও সংক্রান্ত আরও তথ্য জানার জন্য খোঁজ নিতে পারেন নিচের সাইটগুলো থেকে
www.arrl.org
www.qrz.com
www.itu.int
এবার আপনাদের বলি, অ্যামেচার রেডিও কিন্তু শুধু কথা বলার জন্য নয়, এই রেডিও ব্যবহার করে আপনি অ্যামস্যাট (অ্যামেচার স্যাটালাইট AMSAT), অ্যামেচার টেলিভিশন, স্লো-স্ক্যান টিভি (STV), ফাস্ট-স্ক্যান টিভি (FSTV), ডাটা ট্রান্সমিশনের বিভিন্ন মোডের ব্যবহার, মোর্স কোড (টরে-টক্কা), রেডিওকে মডেম হিসেবে ব্যবহার করার মতো আরো অনেক মজার মজার কাজ করতে পারবেন। আর সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে, এসব কাজে আমাদের সাহায্য করার জন্য সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ HAM বসে আছে, যাদের পেশা অথবা শখই হলো বিনামূল্যে অন্যান্য HAM দেরকে সাহায্য করা এবং অ্যামেচার রেডিও নিয়ে গবেষণা করা, এদের মধ্যে অনেকেই শুরুতে বিজ্ঞানের “ব”-ও বুঝতেন না। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের ১৬০০০ হাজারের বেশি হ্যাম এই বিষয়ে যথেষ্ট এগিয়ে আছে। তারা স্বেচ্ছা শ্রমের ভিত্তিতে কাজ করে অ্যামেচার রেডিও নিয়ে আরও গবেষণা করার জন্য মহাকাশের বুকে নিজেদের অ্যামস্যাট (অ্যামেচার স্যাটালাইট) পাঠিয়েছে, যা বিশ্বের যে কোন হ্যাম বিনা পয়সায় ব্যবহার করতে পারে ! এসব কাজে বিশ্বের সব দেশের সরকার/যথাযথ কতৃপক্ষ যথেষ্ট এবং সর্বাত্বক সহায়তা করেন, যার ছিটেফোঁটাও বাংলাদেশে নেই।
বাংলাদেশে দীর্ঘ চার বছর অ্যামেচার রেডিও ব্যবহারকারীদের পরীক্ষা নেয়া এবং লাইসেন্স প্রদান বন্ধ থাকলেও সাম্রতিককালে বাংলাদেশের বিভিন্ন উচ্চপদস্থ মহলের সহায়তা এবং অ্যামেচারদের অক্লান্ত পরিশ্রমের পর বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি) আবার তাদের পরীক্ষা নেয়া এবং লাইসেন্স প্রদান কার্যক্রম শুরু করেছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত www.btrc.gov.bd তে পাওয়া যাবে।
আর অ্যামেচারদের সম্পর্কে আরো জানতে চাইলে সহায়তা নিতে পারেন “গুগলের”।
ধন্যবাদ।

জিকো
www.zicobaby.tk
তথ্যঋণ: বেলায়েত হোসেন রবিন (কলসাইন >> S21RB)।

গুগল ট্রান্সলিটারেশন দ্বারা সহজেই বাংলা লেখা

লিখেছেন এস. এম. মেহেদী আকরাম [রয়েল]
Wednesday, 24 March 2010

গুগল ট্রান্সলিটারে বাংলা ভাষা না থাকলেও গুগল অভিধানে এবং গুগল ট্রান্সলিটারেশন বাংলা ভাষা ব্যবহার রয়েছে। গুগল ট্রান্সলিটারেশন দ্বারা সহজেই জিমেইলে সরাসরি এবং একটি প্লাগইন দ্বারা ফায়ারফক্সে ফনেটিকে (যেমন Ami Bangladeshke Valobasi লিখলে আসবে ‘আমি বাংলাদেশকে ভালবাসি’) বাংলা লিখা যায়।গুগল ট্রান্সলিটারেশন এ্যাড-অন্সটি https://addons.mozilla.org/en-US/firefox/addon/8731 থেকে ইনস্টল করে ফায়ারফক্স রিস্টার্ট করুন। এবার টুলস মেনু থেকে Add-Ons এ ক্লিক করে Google Transliteration এর অপশন্সে ক্লিক করে Enable Transliteration for text boxes too চেক করুন।এখন ফায়ারফক্সের কোন টেক্সট বক্সে বা টেক্সট এরিয়াতে কিছু লিখতে গেলে ডানে ভাষার তালিকা আসবে। সেখানে ড্রপডাউন থেকে Bengali নির্বাচন করে বামপাশের চেক বক্স চেক করুন। এরপর থেকে টেক্সবক্সে ইংরেজীতে কিছু লিখে (ফনেটিক) স্পেস দিলে তা বাংলাতে রূপান্তর হবে।জিমেইলে ব্রাউজারের সাহায্য ছাড়ায় ফনেটিকে বাংলা লিখা যায়। এজন্য জিমেইলে লগইন করে Settings এ ক্লিক করুন। এবার General ট্যাবে থাকা অবস্থায় Enable Transliteration – type using phonetic English চেক বক্স চেক করুন এবং Default transliteration language এর ড্রপ-ডাউনে বাংলা নির্বাচন করুন (সাধারণত বাংলা নির্বাচিত থাকে)। যদি অপশনটি না থাকে তাহলে Show all language options এ ক্লিক করলে Default transliteration language চলে আসবে। ব্যস এবার সেভ করুন।এখন মেইল কম্পোজ করতে গেলে (অবশ্যয় Rich formatting হতে হবে) ফরম্যাটিং বারের বামে ‘অ’ অক্ষরটি দেখা যাবে। এই ‘অ’ অক্ষরটিতে ক্লিক করলে Transliteration সক্রিয় হবে। এখন ম্যাসেজ বডিতে (ফনেটিকে) কিছু লিখে স্পেস দিলে তা বাংলাতে রূপান্তর হবে। এই Transliteration বন্ধ করতে ‘অ’ অক্ষরটি উপরে ক্লিক করলেই হবে।কম্পিউটারে যদি ইউনিকোডের কোন বাংলা ফন্ট ইনস্টল করা না থাকে তাহলে যেমন বাংলা সাইট দেখা যায় না তেমনই বাংলাতে লিখাও যাবে না। তবে http://unicodehelpcenter.blogspot.com সাইট থেকে বাংলা ফন্ট নামানোর পাশাপাশি কম্পিউটারে বাংলা কনফিগার করার পদ্ধতি এবং এই সাইটেই সফটওয়্যার ছাড়ায় বিজয়/ফনেটিক/ইউনিজয় কীবোর্ডের মাধ্যমে বাংলা লিখতে পারবেন।
পূর্বে প্রকাশ: http://www.shamokaldarpon.com/?p=2052

তথ্যপ্রযুক্তিতে উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশের কি কি পলিসি ও আইন দরকার

লিখেছেন ড. মশিউর রহমান
Wednesday, 04 November 2009


নিত্যনতুন প্রযুক্তি আমাদের জীবনের সাথে সংযুক্তি হচ্ছে। তথ্যপ্রযুক্তিতে উন্নয়ন খুবই দ্রুততার সাথে ঘটছে আর নতুন নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবন হচ্ছে। এখন মানুষ facebook, linkedin, myspace জাতীয় সামাজিক নেটওয়ার্ক ব্যবহার করছে। দোকানে যাবার পরিবর্তে অনলাইনেই সব কাজ সারছে। বাংলাদেশ এর থেকে ভিন্ন কিছু নয়। কিন্তু আমাদের আইন ও সরকারের পলিসি এর সাথে সামঞ্জস্য রাখতে পারছেনা। প্রযুক্তির জগতে আমাদের উন্নয়নের জন্য, এর সুবিধাগুলি ভোগ করা এবং সেই সাথে অনাকাঙ্খিত সমস্যাগুলি থেকে রক্ষা পাবার জন্য আমাদের বর্তমান আইনগুলিকে আধুনিক করার প্রয়োজন। যে সমস্ত আইনগুলির আধুনিকায়ন প্রয়োজন সেইগুলি নিয়ে আমরা বর্তমানে বাংলাদেশ আইন কমিশনের সাথে কাজ করছি। এই বিষয়ে আপনাদের মন্তব্য কাম্য। কোন কোন আইন আমাদের তৈরী করা প্রয়োজন এবং কি কি ক্ষেত্রে আপনারা অসুবিধা ভোগ করছেন তা মন্তব্যে লিখুন।

•কেউ ইমেইলে আপনাকে হুমকি দিলে বর্তমান কোন আইন দিয়ে আমরা তা মোকাবেলা করব?

•কেউ আপনার কম্পিউটার, সার্ভার বা কোন সিস্টেম হ্যাক করলে তা কোন আইন দিয়ে প্রতিরোধ করা যাবে।

•অনলাইনে কেনা কাটি করার ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকার কি বলছে?

•কিভাবে অনলাইনে আমরা সফটওয়্যার কিনব?

•ব্যক্তিগত গোপনিয়তা কোন আইনে রক্ষা করা হবে?

•ইন্টারনেট সংযোগ পলিসি

•স্প্যাম ইমেইল পলিসি